আমাদের মানচিত্র  |  বর্ষ: ৪, সংখ্যা: ২৮     ঢাকা, বাংলাদেশ  |  আজ শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭  |  




আর্কাইভ সংখ্যা - বিএনপি’র দুর্বলতা ও রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা!

আর্কাইভ সংখ্যার প্রচ্ছদ



বর্ষ: ৪, সংখ্যা: ২৮
রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬




 
একনজরে এই সংখ্যা -

  সম্পাদকীয় : পবিত্র ঈদুল আজহা ও ত্যাগের পরীক্ষা
  প্রবাস : জন্ম ও মৃত্যু নিয়ে এলিজাবেথ কুবলার রস
  বিশেষ প্রতিবেদন : অর্থের জোরও ঠেকাতে পারেনি মীর কাসেম আলীর ফাঁসি
  ফিচার : রূপকথার এক প্রেমকাহিনী!
  অনুসন্ধান : পিলার চুরি ও বজ্রপাতে প্রাণহানির নেপথ্যে...
  পোস্টমর্টেম : ফারাক্কা নিয়ে নীতিশের প্রস্তাব ও প্রকৃতির প্রতিশোধ!
  স্মরণ : ঢাকায় থাকেন সিরাজ উদ-দৌলার বংশধর!
  ইনফোটেক : স্মার্ট কার্ড: যেভাবে পাবেন
  স্মৃতিচারণ : আঠারোটি বুলেট ও রক্তস্নাত বাংলাদেশ
  প্রতিবেদন : দুই জোটের অর্ধেক রাজনৈতিক দলেরই নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই
  অর্থনীতি : গ্যাসের মূল্য: আবার বাড়ছে কার স্বার্থে?
  প্রচ্ছদ প্রতিবেদন : বিএনপি’র দুর্বলতা ও রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা!
  ধর্ম : জরথ্রুস্টঃ ইরানের প্রাচীন ধর্ম
  বিশেষ প্রতিবেদন : জঙ্গি দমনে সরকারের জিরো টলারেন্স!
  রাজনীতি : দুই ডজনেরও বেশি নেতা বিএনপিকে বিদায় জানাচ্ছেন!
  কলাম : জেলা, মহকুমা ও উপজেলার ইতিবৃত্ত
  দুর্নীতি প্রতিবেদন : মোবাইল ব্যাংকিংয়ে প্রতারণা?
  চমক! : ফেরাউন ও মূসা
 



অর্থনীতি পড়া হয়েছে ২৩৩ বার

গ্যাসের মূল্য: আবার বাড়ছে কার স্বার্থে?

মোস্তাফিজুর রহমান বাহার

গ্যাসের দাম বাড়ানোর সকল আয়োজন সম্পন্ন। যে কোন সময়ে মূল্যবৃদ্ধির খাঁড়া নেমে আসতে পারে নিরীহ গেরস্থ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ওপর। বাংলাদেশ সরকারের একটি এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আছে। সরকার গ্যাস, বিদ্যুৎ বা জ্বালানির দাম বাড়াতে চাইলে এই কমিশনের কাজ হচ্ছে নাম-কা-ওয়াস্তে একটি গণ শুনানীর আয়োজন করা। শুনানীতে মতামত যাই থাকুক, সরকারের এজেন্ডা কমিশন বাস্তবায়ন করে থাকে। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কারণ অর্থমন্ত্রী আরো এক ধাপ এগিয়ে, তিনি বাসা-বাড়িতে গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে দিতে চান।
গ্যাস খাতের সাথে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলি বিইআরসি’র কাছে মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব পাঠানোর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৮ আগষ্ট পর্যন্ত চলেছে গণশুনানী। অংশ নিয়েছেন, মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবক ও শেয়ারগ্রহীতারা, ভোক্তা অধিকার সংস্থা, জ্বালানী বিশেষজ্ঞ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীলবৃন্দ। পক্ষে-বিপক্ষে নানা যুক্তির পরে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব কতটা যুক্তিহীন। কিন্তু অতীত অভিজ্ঞতা হচ্ছে, যতই যুক্তিহীন হোক, বিইআরসি দাম বাড়াবেই। সুতরাং এক যাত্রায় এবারেও ফল ভিন্ন হয়নি।
অতীত-বর্তমান, সবসময় একটি বিষয় সুস্পষ্ট যে সকল শাসকরা সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগনকে হিসেবে গোনেন না। এইজন্য তাদের পদক্ষেপ প্রায়শ: জনস্বার্থ বিরোধী হয়। এরা বাজার নিয়ন্ত্রন করে না, বদলে সিন্ডিকেটের হাতে ছেড়ে দেয়। নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য বা নাগরিক অধিকার নিয়ে তামাশা করতে থাকে। সারা দুনিয়ায় তেলের দাম অর্ধেকে নেমে আসলেও অতীতে দেয়া ভর্তুকি আদায়ের নামে দাম না কমিয়ে জনগনের পকেট কাটতে থাকে। কোন সন্দেহ নেই, বাজার অর্থনীতির সরকার পরিচালিত হয় মুনাফার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে। এই দৃষ্টিভঙ্গির মূল লক্ষ্য হচ্ছে সবরকম কৌশল প্রয়োগ করে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠির সামর্থ্য শূন্য করে দেয়া। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রধানত: যে দুটি কারণ দেখানো হয়েছে তা হচ্ছে- এক. সরকারী নির্দেশনা; দুই. ভবিষ্যতে যে এলপিজি আসবে তার সাথে মূল্য সমন্বয়; সোজা কথায়, সরকারের প্রস্তাবে দাম বাড়ানোর সুযোগ না থাকায় দ্বিতীয়টি জুড়ে দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে শুনানীকালে প্রতিষ্ঠানগুলি সরকারী নির্দেশনার লিখিত কোন পত্র দেখাতে পারেনি। মৌখিক নির্দেশনার কথা উলে­খ করা হয়েছে। উচ্চমূল্যে এলপিজি আমদানী করার যুক্তিও ধোপে টেকেনি। কারণ এটি করলে উচ্চ মুনাফা যাবে ব্যবসায়ীদের পকেটে। এর ফলে বড় শিল্পোদ্যোক্তারা ক্ষতির সম্মুখীন না হলেও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও সাধারন মানুষের ভোগান্তি বাড়বে।
১৪ দলীয় সরকারের শরীক ও মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন মনে করছেন, জঙ্গী ও সাম্প্রদায়িক সমস্যা মোকাবেলায় দেশব্যাপী কর্মসূচি চলাকালে হঠাৎ গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিনি এর প্রতিবাদ করে বলেছেন, জোটের অভ্যন্তরে কোন আলোচনা ছাড়াই আওয়ামী লীগ কেন এরকম একক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তা পরিষ্কার নয়। দাম বাড়ানো হলে তার দল এর বিরুদ্ধে কর্মসূচি দেবে। প্রথম যখন মেননকে মন্ত্রী করা হয়, তার দলের সাথে আলোচনা না করায় তিনি মন্ত্রীত্ব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। পরে ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে জাতীয় সরকারের মন্ত্রী হয়েছেন, নির্বাচনের পরে মন্ত্রী আছেন। নানা কারনে প্রভেদ করা দুঃসাধ্য যে, তিনি আওয়ামী লীগের, না শরীক দলের। প্রশ্ন হচ্ছে, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বা জনগুরুত্বম্পূর্ণ কোন কোন ইস্যুতে আওয়ামী লীগ ১৪ দলকে সাথে নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে- রাশেদ খান মেনন কি সেটি বলতে পারবেন?
স¤প্রতি অর্থমন্ত্রী জানান দিয়েছেন যে, আর কোন গ্যাস সংযোগ দেয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে সংযোগ বন্ধও করে দেয়া হবে। এই ধরনের বক্তব্য এবারেই প্রথম নয়। সরকারের বিভিন্ন মহল, খোদ প্রধানমন্ত্রীও আবাসিক গ্যাস সরবরাহ নিয়ে এমন বক্তব্য দিয়েছেন। এবারে গ্যাসের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, মূল কোপানলে পড়েছেন আবাসিক ব্যবহারকারীরা। সবচেয়ে বেশি দাম বাড়ারও আশঙ্কাও তাদের ক্ষেত্রে।
দাম বাড়ানোর প্রাক্কালে আবাসিক সরবরাহ নিয়ে অসত্য বক্তব্যটি এরকম- ‘‘এত কম দামে পৃথিবীর কোথাও এমন সুবিধা পাওয়া যায় না’’। অথচ বাস্তব পরিস্তিতি হচ্ছে, পৃথিবীর সকল দেশে জাতীয় সম্পদের ওপর অধিকার জনগনের। এ থেকে সুবিধাভোগের অধিকারও তাদের। আবাসিক গ্যাস ব্যবহারের যে হিসেব দেয়া হয় সেই তথ্যও সঠিক নয়। নতুন সংযোগ না দেয়ার ছুতো তৈরী করতে বাড়িয়ে বলা হয়। আবার আবাসিক ব্যবহারের নামে গোপনে দেয়া হয় বাণিজ্যিক সংযোগ। এটিকে আলাদা করার উদ্যোগ বা আবাসিকে মিটার স্থাপনের বিষয়ে সরকার কখনই মনোযোগী নয়।
গাড়িতে সিএনজি দেয়া হয়েছে, খরচ কমেছে বিত্তবানদের। সিএনজির ব্যবসা ক্ষমতাসীনদের সাথে কোন না কোনভাবে সম্পর্কিত ও তাদের কুক্ষিগত। সেজন্য এ ক্ষেত্রটি অর্থমন্ত্রী বা সরকারের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। অথচ রাজধানীতে গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি, যানজটসহ নানা সংকট সৃষ্টির অন্যতম কারন হচ্ছে- সিএনজি ব্যবসার সম্প্রসারণ। এইসব সামাল দিতে জনগনের অর্থ ব্যয় করে সরকার ফ্লাইওভার নির্মান করছে। এর ঠিকাদারী, পার্সেন্টেজ-সব ঢুকে যাচ্ছে চিহ্নিত কতিপয়ের পেটে। নগর পরিকল্পনাবিদরা গাড়ি নিয়ন্ত্রনে সিএনজি ব্যবহার বন্ধে সুপারিশ করেছেন বার বার। কিন্তু সরকারের দৃষ্টি রয়েছে পাইপলাইনের ওপর।
সরকার এই খাতকে রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করছে। এর ফলে জ্বালানী দরপতনের সুবিধা জনগন পাচ্ছে না। মুনাফা অর্জনের কৌশল হিসেবে কোম্পানীগুলোর মাধ্যমে দাম বাড়িয়ে ট্যাক্স, ভ্যাট আদায়ের সরকার নতুন নতুন কৌশল বের করছে। এভাবে জ্বালানী খাত হয়ে উঠছে জনগনের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে শোষনের অন্যতম হাতিয়ার। বাজার চাহিদা অনুপাতে জ্বালানী সরবরাহ আছে কিনা এবং ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার সাথে মিলিয়ে জ্বালানী নিরাপত্তার ভিৎ গড়ে ওঠে। কিন্তু এখানে জনগনের জ্বালানী ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টি সরকার মোটেই গুরুত্ব দিচ্ছে না।
সরকার করপোরেট স্বার্থরক্ষা করে। জনস্বার্থের কথা মুখে বললেও কোন সরকারই রক্ষা করে না। প্রমান হচ্ছে, বিদেশী কোম্পানীর কাছ থেকে গ্যাসক্ষেত্র ধংসের ক্ষতিপূরণ আদায়ে সরকার ব্যর্থ এবং এ নিয়ে বিশেষ কোন মাথাব্যাথাও নেই। বিভিন্ন কোম্পানীর কাছে ন্যূনতম দামে গ্যাস বিক্রি করা হলেও আবাসিক গ্রহীতারা হয় সরকারের টার্গেট। ১৯৯৭ সালে মাগুরছড়া ও ২০০৫ সালে টেংরাটিলায় অক্সিডেন্টাল ও নাইকো’র অবহেলার কারণে বিপুল গ্যাসসম্পদ ধংস হয়।
অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ গবেষণায় দেখিয়েছেন, অক্সিডেন্টাল ও নাইকোর কাছ থেকে বাংলাদেশের ক্ষতিপূরণ পাওয়া উচিত ৪৫ হাজার কোটি টাকা। জ্বালানী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম শামসুল আলম এক সাক্ষাতকারে বলেছেন, নাইকো’র কাছ থেকে কয়েক বিলিয়ন ডলার আদায় করা সম্ভব। ন্যূনতম এক বিলিয়ন আদায় করার আইনী ভিত্তি তো এখনই রয়েছে। কিন্তু এ ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়ে সরকার নীরব, বদলে সরব আবাসিকের গ্যাসের দাম বাড়ানো ও নতুন সংযোগ না দেয়ার ব্যাপারে।
জাতীয় স্বার্থের উল্টো চিত্রটি হচ্ছে, নাইকো’র পাওনা মিটিয়ে দিতে সরকারের অভ্যন্তরে গোপন ফাইল চালাচালির ঘটনা অতি সাম্প্রতিক। সরকারের উদাসীনতায়ই আন্তর্জাতিক আদালতে নাইকো’র কাছে মামলায় হেরেছে বাংলাদেশ। যদিও নাইকো নিজ দেশে দন্ডিত এবং ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয়েছে। অক্সিডেন্টাল থেকে ইউনোকল শেয়ার নিয়ে বেচে দিয়েছে শেভরনের কাছে, পার পেয়ে সরকারের নীরব উদাসীনতায়, নাকি এর ভেতরেও রয়েছে ‘রহস্য’। শুধুমাত্র এদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণের টাকা আদায় করা গেলে সারাদেশে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল।
গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধিকে বিরোধিতা করতে গিয়ে বিএনপি সীমাবদ্ধ আছে বিবৃতির মধ্যে। এরকম জনঘনিষ্ঠ ইস্যুতে আন্দোলন করার বিশ্বাসযোগ্যতাও তার নেই। কারণ এ পাপ তো তারাও করেছে ক্ষমতায় থাকতে। তাছাড়া বিএনপি সবকিছুর মধ্যে নির্বাচন দেখছে, যেন নির্বাচন সকল সমস্যার সমাধান এনে দেবে। এক্ষেত্রে দু’দলের মধ্যে ফারাক শুধু ক্ষমতায় থাকা না থাকা নিয়ে। ক্ষমতায় থাকলে বিএনপিও করপোরেট স্বার্থের ধারক-বাহক হিসেবে একই কাজ করতো। অন্যদিকে, ছোট-খাট কিছু দল, সিপিবি-বাসদ, বাম মোর্চাসহ কয়েকটি সংগঠন গ্যাসের এই অযৌক্তিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ করছে, আন্দোলন সংগঠিত করারর চেষ্টা করছে, হরতাল কর্মসুচির কথা বলছে, কিন্তু সরকার কোন কিছুরই পরোয়া করছে না। জনগনের কাছে সরকারের দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা সবসময়ই প্রশ্নবোধক। এজন্যই যেকোন সময়েই বেড়ে যায় গ্যাস-বিদ্যুৎের দাম। নিত্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি দ্রব্যের মূল্য উর্ধগতির দিকে। চালসহ অন্যান্য জিনিসের দাম কেজি প্রতি ৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। জীবনরক্ষাকারী ও নিত্য ব্যবহার্য সাধারন ওষুধগুলির প্রত্যেকটির দাম বাড়ছে। বাজারের ওপর সরকারের কোন নিয়ন্ত্রন নেই। ‘ক্ষমতাধর’ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট বাজার ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন করছে। কিন্তু বাণিজ্যমন্ত্রী মূল্যবৃদ্ধির ইস্যুটিকে মিডিয়া সৃষ্ট বলে সান্তনা নিচ্ছেন।
সরকারের দায়িত্ব জনগনের জীবনমান উন্নয়ন। কিন্তু ক্ষমতাসীনদের কাছে জনগনের বৃহদাংশ কখনই গুরুত্ব পায়নি। এখানে বেশিরভাগ মানুষের কাছে সেবা পাওয়া অধিকার নয়, সরকারের করুণা। এজন্যই বেশিরভাগ মানুষের জন্য গ্যাস সরবরাহের বিষয়টি জ্বালানী অধিকার হিসেবে সরকারের কাছে গুরুত্ব পাচ্ছে না। নানা ধরনের অসত্য তথ্য দিয়ে জাতীয় সম্পদের ওপর জনগনের ক্ষুদ্র অধিকার সংকুচিত ও দুর্লভ করে তোলা হচ্ছে। এ বিষয়ে রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ, জ্বালানী বিশেষজ্ঞ, সমাজতত্ত¡বিদরা যাই বলুন- ক্ষমতাসীনরা তা উড়িয়ে দিচ্ছেন অবলীলায়, করপোরেট স্বার্থরক্ষায়।


 
এ পর্যন্ত সর্বাধিক পঠিত

  ইনফোটেক : ইন্টারনেট নিয়ে গ্রাহক প্রতারণা!
  অনুসন্ধান : কয়টি সিম রাখা যাবে?
  পোস্টমর্টেম : নকল ডিমে রাজধানী সয়লাব
  প্রবাস : চিতোর, ইতিহাসের তিন নারী
  সাহিত্য : নাথ সাহিত্যের স্বরূপ
  অর্থনীতি : মূল বেতন দ্বিগুণ করার সুপারিশজাতীয় বেতন কমিশনের রিপোর্টে যা আছে
  আন্তর্জাতিক : যেভাবে যৌনদাসীদের ভোগ করছে আইএস জঙ্গিরা
  সমকালীন : বাংলাদেশ নিয়ে চীন-ভারত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও কূটনীতির দৃষ্টিতে মোদীর ঢাকা সফর
  বিশেষ প্রতিবেদন : ক্যাপ্টাগন: জঙ্গিদের টেরোরিস্ট ড্রাগ!
  প্রশাসন : চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল হচ্ছে!
  সাহিত্য : শিরোমণি আলাওল
  আন্তর্জাতিক : ভয়ঙ্কর আইএস-এর উত্থান ও নৃশংসতা!
  চমক! : জমজমের পানি নিয়ে জাপানী বিজ্ঞানীদের রহস্য আবিষ্কার!
  সাহিত্য : মগের মুল্লুকে বাংলা সাহিত্যের বিকাশ
  প্রচ্ছদ প্রতিবেদন : গুলশান ট্র্যাজেডি! কেন এই নৃশংসতা?
 





free counters



উপদেষ্টা সম্পাদক : আবদুল্লাহ আল-হারুন   |  সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ জিয়াউল হক   |  প্রধান সম্পাদক : আসিফ হাসান

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: দেওয়ান কমপ্লেক্স, ৬০/ই/১ (৭ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

ফোন: +৮৮-০২-৯৫৬৬৯৮৭, ০১৯১৪ ৮৭৫৬৪০  |  ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৫৬৬৩৯৮

ইমেইল: editor@weeklymanchitra.com, manchitra.bd@gmail.com
©  |  Amader Manchitra

Developed by   |  AminMehedi@gmail.com