আমাদের মানচিত্র  |  বর্ষ: ৪, সংখ্যা: ২৮     ঢাকা, বাংলাদেশ  |  আজ বূধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭  |  




আর্কাইভ সংখ্যা - বিএনপি’র দুর্বলতা ও রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা!

আর্কাইভ সংখ্যার প্রচ্ছদ



বর্ষ: ৪, সংখ্যা: ২৮
রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬




 
একনজরে এই সংখ্যা -

  সম্পাদকীয় : পবিত্র ঈদুল আজহা ও ত্যাগের পরীক্ষা
  প্রবাস : জন্ম ও মৃত্যু নিয়ে এলিজাবেথ কুবলার রস
  বিশেষ প্রতিবেদন : অর্থের জোরও ঠেকাতে পারেনি মীর কাসেম আলীর ফাঁসি
  ফিচার : রূপকথার এক প্রেমকাহিনী!
  অনুসন্ধান : পিলার চুরি ও বজ্রপাতে প্রাণহানির নেপথ্যে...
  পোস্টমর্টেম : ফারাক্কা নিয়ে নীতিশের প্রস্তাব ও প্রকৃতির প্রতিশোধ!
  স্মরণ : ঢাকায় থাকেন সিরাজ উদ-দৌলার বংশধর!
  ইনফোটেক : স্মার্ট কার্ড: যেভাবে পাবেন
  স্মৃতিচারণ : আঠারোটি বুলেট ও রক্তস্নাত বাংলাদেশ
  প্রতিবেদন : দুই জোটের অর্ধেক রাজনৈতিক দলেরই নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই
  অর্থনীতি : গ্যাসের মূল্য: আবার বাড়ছে কার স্বার্থে?
  প্রচ্ছদ প্রতিবেদন : বিএনপি’র দুর্বলতা ও রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা!
  ধর্ম : জরথ্রুস্টঃ ইরানের প্রাচীন ধর্ম
  বিশেষ প্রতিবেদন : জঙ্গি দমনে সরকারের জিরো টলারেন্স!
  রাজনীতি : দুই ডজনেরও বেশি নেতা বিএনপিকে বিদায় জানাচ্ছেন!
  কলাম : জেলা, মহকুমা ও উপজেলার ইতিবৃত্ত
  দুর্নীতি প্রতিবেদন : মোবাইল ব্যাংকিংয়ে প্রতারণা?
  চমক! : ফেরাউন ও মূসা
 



দুর্নীতি প্রতিবেদন পড়া হয়েছে ১৯৭ বার

মোবাইল ব্যাংকিংয়ে প্রতারণা?

মোহাম্মদ শফিকুল

দ্রুততম সময়ে টাকা পাঠানোর অন্যতম মাধ্যম এখন মোবাইল ব্যাংকিং। ফলে দিন দিন জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে যাচ্ছে এ সেবাটি। এ ছাড়া এ সেবার মাধ্যমে রেমিট্যান্সের অর্থ প্রেরণ, বেতন-ভাতা ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধ সবই উলে­খযোগ্যহারে বাড়ছে। বাড়ছে লেনদেনের পরিমাণও। এর মাধ্যমে এখন দৈনিক গড় লেনদেন হচ্ছে ৭৭২ কোটি টাকা। তবে এ জনপ্রিয়তার সুযোগ নিচ্ছে প্রতারক চক্র। হাতিয়ে নিচ্ছে বিপুল পরিমাণ টাকা। এই প্রযুক্তির সুযোগ নিয়ে তারা হরহামেশাই ঘটাচ্ছে নানা প্রতারণার ঘটনা। গড়ে উঠেছে নানা সিন্ডিকেট চক্র, ফলে থামানো যাচ্ছে না গ্রাহক হয়রানি। ফোন কল বা ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে অত্যন্ত সূ² কায়দায় গ্রাহকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এ চক্র। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, জনপ্রিয় হওয়ায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ২৮টি ব্যাংককে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এখন পর্যন্ত এ সেবাটি চালু করেছে ২০টি ব্যাংক। প্রতারক চক্রের সদস্যরা রাজধানীর বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিং দোকানে আড়ি পেতে এজেন্ট ও গ্রাহকদের ধোঁকা দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। এ অবস্থায় অর্থ লেনদেনে গ্রাহকদের আরো সচেতন হওয়ার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন করতে নানা সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপনও প্রচার করছে তারা। বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ড. হেলাল উদ্দিন জানান, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বাংলাদেশে রীতিমতো বিপ্লব হয়েছে। তবে এটাকে সত্যিকার অর্থেই ব্যাংকিং করে তুলতে হবে। নয়তো বড় রকমের ঝুঁঁকি আছে। যদি এখনই মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা না হয়, তাহলে এটা দেশের ভেতরে অবৈধ অর্থ লেনদেনের বড় মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।
এক পরিসংখানে জানা যায়, গেল জুন মাস মোবাইল ব্যাংকিং গ্রাহকসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬২ লাখ। যা মে মাসে ছিল ৩ কোটি ৫৪ লাখ। জুন মাসে মোবাইল ব্যাংকিং লেনদেনে নতুন রেকর্ডও হয়েছে। গেল বছরের জুন মাসজুড়ে এ সেবায় লেনদেন হয় ১২ হাজার ৯৬৯ কোটি টাকা। ফলে ওই মাসে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছিল ৪৩২ কোটি টাকা। এক বছর পর চলতি বছরের জুন মাসে এ সেবায় মোট লেনদেন হয়েছে ২৩ হাজার ১৫১ কোটি টাকা। এ মাসে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে প্রায় ৭৭২ কোটি টাকা। যা মে মাসের চেয়ে ২৫ শতাংশ বেশি।
এ ছাড়া এটি আগের বছরের একই মাসের চেয়ে ৭৮ শতাংশ বেশি। এ মাসে ক্যাশ ইন ট্রানজেকশন, ক্যাশ আউট ট্রানজেকশন, রেমিট্যান্সের অর্থ প্রেরণ, পারসন টু পারসন লেনদেন, বেতন-ভাতা ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধ সবই উলে­খযোগ্য হারে বেড়েছে। মূলত ব্যাংকে গিয়ে অর্থ আদান-প্রদানের ঝামেলা এড়াতে প্রতিদিনই বাড়ছে বিভিন্ন ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবার গ্রাহক। সে সঙ্গে পাল­া দিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে বেশ কিছু প্রতারক চক্র। ফোন কল বা ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে অত্যন্ত সূ² কায়দায় গ্রাহকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এ চক্র।
হিসাব অনুযায়ী, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে পাঁচ হাজার টাকার লেনদেনই বেশি। সাধারণত যারা অল্প আয়ের মানুষ এবং যারা ব্যাংকে গিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলার মতো দক্ষ নন, তাদের একটি বড় অংশ এ ব্যাংকিং সেবার দিকে ঝুঁকছেন। এতে একবারে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা লেনদেন করা যায়। তবে কেউ চাইলে একাধিক এজেন্ট বা অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আরো অনেক বেশি টাকা লেনদেন করতে পারেন। তবে এই লেনদেনের তেমন কোনো তথ্য থাকে না। এজেন্টের মাধ্যমে করলে যার কাছে টাকা পাঠানো হয়, তার মোবাইল নম্বর ছাড়া আর কোনো তথ্যই থাকে না। আর সেটার সুযোগ নিয়েই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ কাজে টাকা ব্যবহার হচ্ছে। ভুয়া মেসেজের মাধ্যমে এজেন্টরা যেমন টাকা দিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন, তেমনি গ্রাহকের টাকাও তুলে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে ভূরি ভূরি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণ কেন্দ্রে আসা একাধিক অভিযোগ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিভিন্ন ধরনের অপরাধে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সহায়তা নেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে, নোবেল লরিয়েটের সঙ্গে ডিনার প্রোগ্রাম, সুলভ মূল্যে ফ্ল্যাট-প্লট প্রদান ও জিনের বাদশার কথা বলে অর্থ আদায়, অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, মানবপাচার, চুরি, হ্যাকিং, ন্যাশনাল আইডি কার্ড জালিয়াতি, সিএনজি ও অটোরিকশা ছিনতাই প্রভৃতি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ব্যবসায়ী মোকারম হোসেন শামীম অভিযোগ করে বলেন, গ্রামীণফোন সিম ০১৭৮০১৫৯৯৭৪ নম্বরের মাধ্যমে বিকাশে নিয়মিত লেনদেন করেন তিনি। কিন্তু হঠাৎ করে সিম কার্ডটির রেজিস্ট্রেশন বন্ধ দেখায় এবং পরবর্তী সময়ে তার অ্যাকাউন্ট থেকে ভৌতিকভাবে ২২ হাজার টাকা উধাও হয়ে যায়। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শামীম হারানো টাকা ফিরে পেতে বিকাশ হেড অফিস ও গ্রামীণফোন অফিসে ছুটে যান। কিন্তু এর কোনো সুরাহা না পেয়ে দিশেহারা এই গ্রাহক বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে অভিযোগ করেন।
আবুল বাশার নামে অন্য এক গ্রাহক বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে করা অভিযোগে বলেন, ব্যবসায়িক কাজে বিকাশে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খুলি। কিন্তু হঠাৎ চালু সিমটি বন্ধ দেখায়। রেজিস্ট্রেশন নষ্ট হয়েছে মনে করে পাশের এসটিপিতে গিয়ে দেখি আমার অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ হাজার ২০০ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের ধারণা, এই প্রতারক চক্রটির সঙ্গে এজেন্টরা জড়িত থাকতে পারে।
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবুল কাশেম মো. শিরিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এজেন্টরা বেশ কিছু বিষয় এড়িয়ে যাচ্ছে। যিনি টাকা পাঠাচ্ছেন এবং যিনি তা গ্রহণ করছেন, তার কোনো রেকর্ড রাখেন না তারা, যা অবৈধ।
সম্প্রতি বিকাশের মাধ্যমে প্রতারণার কারণে একটি চক্রকে আটক করে ডিবি পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে সে চক্রেরই একজন মিজানুর রহমান তাদের প্রতারণার কৌশল ও কাজের ধরন নিয়ে বেশ কিছু তথ্য দেন পুলিশকে। মিজানুর জানান, আমাদের একজন লিডার আছে। তার নাম খায়ের চৌধুরী। তার অধীনেই অন্তত ১০০ প্রতারক চক্রের ২ হাজার সদস্য ৪৯টি থানার বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করছেন। দলের সদস্য সংখ্যা ২০-২৫ জন। যারা সব সময় যেসব দোকান থেকে বিকাশ হয় সেসব দোকানের আশপাশে ঘুরাফিরা করি। কোনো ব্যক্তি বিকাশ করতে এলে কৌশলে যে নম্বরে বিকাশ করা হচ্ছে সে নম্বরটি জেনে তৎক্ষণাৎ লিডার খায়েরকে ফোনে জানিয়ে দেই। এভাবেই চলে প্রতারণা। তাদের প্রতারণার শিকার হয়েছেন অবসরে যাওয়া সরকারি চাকরিজীবী, সেনা কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর থেকে শুরেু করে সুশীল সমাজের সদস্যরা পর্যন্ত।
বাংলাদেশে ব্র্যাক ব্যাংকের ‘বিকাশ’ মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সবচেয়ে আলোচিত নাম। এই বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সবচেয়ে বেশি টাকা লেনদেন হয়। তাই বিকাশের লেনদেনে প্রতারণার অভিযোগও সবচেয়ে বেশি। এ প্রসঙ্গে বিকাশের জনসংযোগ বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার জাহেদুল ইসলাম বলেন, সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের কারণে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের গ্রাহক সংখ্যা ও লেনদেন যেমন বেড়েছে তেমনি বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালার ধারাবাহিকতা এবং কঠোর নজরদারির কারণে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের প্রবৃদ্ধিও একটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। তবে সবচেয়ে জরুরি হলো গ্রাহকদের সচেতন হতে হবে। আমাদের গ্রাহকদের বলব, যদি এমন পরিস্থিতির কেউ শিকার হয় তাহলে অবশ্যই যেন আমাদের কাস্টমার কেয়ারে বিষয়টি জানায়। আমরা ইতোমধ্যে জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু করেছি। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশনস শাখার উপকমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। গত কয়েক দিনে এ ধরনের অপরাধে জড়িত কয়েকটি চক্রকে গ্রেপ্তারও করেছি। এই ধরনের প্রতারণার যারা শিকার হচ্ছেন তারা আসছেন এবং শনাক্ত করছেন জড়িতদের। এটা একটা চলমান প্রক্রিয়া, আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এ ছাড়া সবাইকে সচেতন হতে হবে। তিনি আরো বলেন, প্রতারিত হলে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। এ ছাড়া সম্প্রতি ঢাকা মহানগর পুলিশের চালু হওয়া হ্যালো সিটি এ্যাপসে গিয়ে সাইবার ক্রাইম ও জালিয়াতি অপশনে ঢুকে আপনার অভিযোগটি সরাসরি লিখে পাঠিয়ে দিন। পুলিশ অভিযোগটি আমলে নিয়ে অনুসন্ধান করে ব্যবস্থা নেবে।
নিয়ম অনুযায়ী শুধু মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট রয়েছে এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এ মাধ্যমে লেনদেন করবে। তবে বেশিরভাগ এজেন্ট এ নিয়ম না মেনে নামে-বেনামে অ্যাকাউন্ট খুলে টাকা পাঠায়। এর ফলে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে ঘুষ-দুর্নীতিসহ অবৈধ লেনদেন বাড়ছে। কিছুদিন আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার আলোকে এ ধরনের কয়েক লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয় বিভিন্ন এজেন্ট। বাতিল করা হয় অনেকের এজেন্টশিপও। পরে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহারে অপরাধমূলক লেনদেনে ঝুঁকি কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এর মধ্যে রয়েছে গরমিল তথ্য দিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা যাবে না। এতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের হিসাবের কেওয়াইসি (গ্রাহকের পরিচিতি) ফরমে দেয়া তথ্যের সঙ্গে মোবাইল সিম নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে সঙ্গতি থাকতে হবে। এ ছাড়া ঝুঁকি কমাতে পাঁচ হাজার টাকা বা তার বেশি অঙ্কের লেনদেনে গ্রাহকের ছবি তুলে সংরক্ষণ করতে হবে। তবে অন্যান্য নির্দেশনা ঠিক থাকলেও গ্রাহকের ছবি তোলার নির্দেশনা পরবর্তীতে শিথিল করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।


 
এ পর্যন্ত সর্বাধিক পঠিত

  ইনফোটেক : ইন্টারনেট নিয়ে গ্রাহক প্রতারণা!
  অনুসন্ধান : কয়টি সিম রাখা যাবে?
  পোস্টমর্টেম : নকল ডিমে রাজধানী সয়লাব
  সাহিত্য : নাথ সাহিত্যের স্বরূপ
  প্রবাস : চিতোর, ইতিহাসের তিন নারী
  অর্থনীতি : মূল বেতন দ্বিগুণ করার সুপারিশজাতীয় বেতন কমিশনের রিপোর্টে যা আছে
  আন্তর্জাতিক : যেভাবে যৌনদাসীদের ভোগ করছে আইএস জঙ্গিরা
  বিশেষ প্রতিবেদন : ক্যাপ্টাগন: জঙ্গিদের টেরোরিস্ট ড্রাগ!
  সমকালীন : বাংলাদেশ নিয়ে চীন-ভারত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও কূটনীতির দৃষ্টিতে মোদীর ঢাকা সফর
  সাহিত্য : শিরোমণি আলাওল
  আন্তর্জাতিক : ভয়ঙ্কর আইএস-এর উত্থান ও নৃশংসতা!
  প্রশাসন : চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল হচ্ছে!
  চমক! : জমজমের পানি নিয়ে জাপানী বিজ্ঞানীদের রহস্য আবিষ্কার!
  সাহিত্য : মগের মুল্লুকে বাংলা সাহিত্যের বিকাশ
  প্রচ্ছদ প্রতিবেদন : গুলশান ট্র্যাজেডি! কেন এই নৃশংসতা?
 





free counters



উপদেষ্টা সম্পাদক : আবদুল্লাহ আল-হারুন   |  সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ জিয়াউল হক   |  প্রধান সম্পাদক : আসিফ হাসান

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: দেওয়ান কমপ্লেক্স, ৬০/ই/১ (৭ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

ফোন: +৮৮-০২-৯৫৬৬৯৮৭, ০১৯১৪ ৮৭৫৬৪০  |  ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৫৬৬৩৯৮

ইমেইল: editor@weeklymanchitra.com, manchitra.bd@gmail.com
©  |  Amader Manchitra

Developed by   |  AminMehedi@gmail.com