আমাদের মানচিত্র  |  বর্ষ: , সংখ্যা:     ঢাকা, বাংলাদেশ  |  আজ বূধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭  |  




চলতি সংখ্যার প্রচ্ছদ



বর্ষ: ৪, সংখ্যা: ৪৪
রবিবার, ১ জানুয়ারী ২০১৭










free counters






ফিচার পড়া হয়েছে ১০৪৪ বার

জিগোলো! রমরমা এক ব্যবসা

শফিকুল ইসলাম


জিগোলো! ভারত ও বাংলাদেশের বড় বড় শহর আর বাজারজুড়ে এখন জিগোলোদেরই রমরমা রাজত্ব! অনেক কম সময়ে অনেক বেশি উপার্জন, সঙ্গে রঙিন জীবনের হাতছানি! তার উপর, জীবন-যৌবনকে উপভোগের ঢের সুযোগও রয়েছে। এমনই নানা প্রলোভন। আর, যে প্রলোভন আবার এড়ানোরও নয় অনেকের কাছে। যার জেরেই, প্রবেশ ঘটছে অন্য এক পেশার এবং, ওই পেশার প্রতি ক্রমে আরও বেশি তৈরি হচ্ছে আগ্রহ। তবে, এমন অনেকেও রয়েছেন, যাদের ক্ষেত্রে ওই পেশায় আবার উপার্জনটাই অন্যতম কারণ হিসেবেও দেখা যাচ্ছে। আর, এ সবেরই কারণে, বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন প্রান্তেও এখন অন্য ওই পেশার কদর দিনকে দিন আরও বেড়ে চলেছে। কলেজছাত্র থেকে শুরু করে বেকার যুবক মায় ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী থেকে শুরু করে কর্পোরেট কালচারে অভ্যস্ত পেশাদার অন্য ওই পেশার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। অন্যরকম ওই পেশায় যোগদানের জন্য কেবলমাত্র পুরুষেরই অগ্রাধিকার রয়েছে।
রমরমা হবে না-ই বা কেন! কারণ, এখন দশটা-পাঁচটার নতুন ডিউটি! কাজেই, অন্য ওই পেশার প্রতি আগ্রহ আরও বেশি করে তৈরি হওয়া ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে! কারণ, ওই পেশার লোভনীয় হাতছানিও যে কম নয়! কী রকম সেই সব লোভনীয় নমুনা? যেমন, আপনার জীবনকে আরও রঙিন ও সৌন্দর্যময় করতে ২৫ থেকে ৪০ বছরের সুন্দরী মহিলাদের সঙ্গে পার্টি, ভ্রমণ করুন। গাড়ির ব্যবস্থা রয়েছে। থাকা-খাওয়ার সুবিধা ও আয় করে প্রতিষ্ঠিত হন। কোথাও আবার নমুনা হিসেবে রয়েছে, হাইপ্রোফাইল নিঃসঙ্গ সুন্দরী মহিলাদের সঙ্গে বোল্ড রিলেশন করে আয়ের কথা। শুধু তাই নয়। এই ধরনের আয়ের ক্ষেত্রে একশো শতাংশ গ্যারান্টি দেয়ার কথাও রয়েছে। কারও মনে যাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ দেখা না দেয়, সেজন্য ওই সব নমুনার সঙ্গে দাবি করা হয় সরকারি রেজিস্ট্রেশনের কথাও। যে কারণেই দাবি করা হয়, ঠকবার ভয় নেই। ভারতে এই ধরনের নানা লোভনীয় নমুনার বিষয়ে সাধারণত সব থেকে বেশি বিজ্ঞাপন দেয়া হয় বিভিন্ন ভাষার সংবাদপত্রে। আমাদের দেশে এই পেশায় যোগদানের জন্য মাধ্যম হিসেবে রয়েছে ইন্টারনেট তথা বিভিন্ন ধরনের সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটও। সংবাদপত্রে সাধারণত ফ্রেন্ডশিপ ক্লাব নামে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। কোথাও আবার উলে­খ থাকে এসকর্ট সার্ভিসের কথাও। আর, তাতে নমুনা হিসেবে থাকে, একশো শতাংশ সুন্দরী হাইপ্রোফাইল মহিলা মেম্বারশিপ ক্লাবের কথাও। নমুনা হিসেবে থাকে, পছন্দ ও ভাবনা আপনার। তবে, আয় করতে পারবেন ইচ্ছে মতো।
শুধু কি আর বাঙালি অথবা বিদেশি কোনও মহিলার জন্য এই সেবা দিতে হবে কোনও জিগোলোকে? মোটেও নয়। বিশ্বায়নের সৌজন্যে এখন এ বঙ্গে থেকেই বিদেশি কোনও মহিলার সঙ্গে বেড়ানো অথবা পার্টি করারও সুযোগ মিলছে। এবং, ওই বেড়ানোর সময় অথবা পার্টি শেষে বিদেশি ওই মহিলার সঙ্গে বোল্ড রিলেশনের মাধ্যমে উপার্জনের সুযোগও রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ওই সব নমুনায় দাবি করা হয়, এই অন্য পেশার বিষয়টি গোপন রাখা হবে।
তবে, অন্য এই পেশার বিষয়ে কখনও আবার সংবাদপত্রে নেহাতই সাদামাটা বিজ্ঞাপনও দেয়া হয়। সেখানে বোঝারও উপায় থাকে না, যে ওই ধরনের বিজ্ঞাপনে আসলে জিগোলো হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। যেমন, বিজ্ঞাপন দেয়া হল, ওমুক জায়গায় কাজের জন্য প্রচুর ছেলে চায়। ফোন নম্বরও দেয়া থাকে। তবে, ওই ফোন নম্বরে কথা বললে কিন্তু কোনও রাখঢাক না করেই জানিয়ে দেয়া হয়, যে ওই কাজের বিষয়টি আসলে মহিলাদের যৌনসুখ দেয়ার সেবা। এ দিকে, পেশাদার হিসেবে যাঁরা জিগোলো হচ্ছেন, তাঁদের ডিউটি সাধারণত বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে নির্ধারিত হচ্ছে। তবে, কোনও কোনও ক্ষেত্রে আবার একজন জিগোলো নিজেই বেছে নিচ্ছেন, যে কোন মহিলাকে তিনি শারীরিক সুখের সেবা দেবেন। কোনও এজেন্সির মাধ্যমে অন্য এই পেশায় যোগদান করতে হলে, প্রথমে নির্ধারিত অঙ্কের টাকা নির্দিষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করতে হয়। জমা দেয়া ওই টাকাকে এজেন্সির ভাষায় বলা হয় রেজিস্ট্রেশন ফি। ওই ধরনের এক এজেন্সির তরফে এক ব্যক্তির দাবি, ‘রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেয়ার পর আপনাকে একটি আইডি নম্বর দেয়া হবে। তার পরেই আপনাকে সার্ভিস দেয়া হবে।’ কোনও একজন জিগোলোর ক্ষেত্রে তার একটি নামও প্রয়োজন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অবশ্য ছদ্মনাম ব্যবহার করেন জিগোলোরা। দিন হোক অথবা রাত, যে কোনও সময়েই ডিউটি করতে হয় কোনও জিগোলোকে। তবে, যে সময়েই ডিউটি হোক না কেন, সাধারণত এই বিষয়টি ঠিক করেন গ্রাহক অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট মহিলাই। যে কারণে, কখনও যেমন দুপুর। কখনও আবার সন্ধে অথবা রাত। তেমনই, কখনও আবার সারারাতও ডিউটি করতে হতে পারে কোনও জিগোলোকে। এমনও হয়, জিগোলোকে সঙ্গে নিয়ে গ্রাহক আবার কোথাও বেড়াতে গেলেন কয়েকদিনের জন্য। সেক্ষেত্রে ওই ক’দিন ডিউটি করতে হয়।
অন্য এক এজন্সির তরফে এক ব্যক্তি বলেন, ‘এই ধরনের উপার্জনের জন্য আমাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এক হাজার ৫০ টাকা প্রথমে জমা দিতে হবে। তার পরই আপনাকে একটি আইডি নম্বর দিয়ে সার্ভিস দেয়া হবে।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রতি সপ্তাহে আপনি নিতে পারলে সর্বাধিক চারটি সার্ভিস পাবেন। প্রতিটি সার্ভিসের জন্য ঘন্টা তিনেক সময় দিতে হবে’ কীভাবে হবে উপার্জন? অন্য আর এক এজেন্সির তরফে এক ব্যক্তি বলেন, ‘বিভিন্ন ধরনের প্রোফাইল থেকে  পছন্দের জিগোলোকে বেছে নেবেন কোনও গ্রাহক। সাধারণত গ্রাহকের পছন্দমতো জায়গায় জিগোলোকে সার্ভিস দিতে হয়। ওই গ্রাহকের সন্তুষ্টির পর তিনি নগদ টাকা দেবেন জিগোলোকে। তার পর জিগোলোকে ওই টাকা থেকে এজেন্সির কমিশন মিটিয়ে দিতে হবে।’
যদিও, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, যে রেজিস্ট্রেশন ফি জমা দেয়ার পরেও সার্ভিস দেয় না সংশ্লিষ্ট এজেন্সি। এভাবে আসলে টাকা লোপাট করা হয়। যে জন্য বিভিন্ন চক্রও রয়েছে। অথচ, এ ভাবে টাকা খোয়া যাওয়ার পরেও, সাধারণত পুলিশে কেউ অভিযোগও দায়ের করেন না। কারণ, সাধারণত এই বিষয়টি কেউ প্রকাশ্যে আনতে চান না। তা সত্তে¡ও, ক্রমে আরও বাড়ছে জিগোলোর সংখ্যা। এই মহানগরীর অলি-গলি-রাজপথ ছাড়িয়ে জিগোলোর অবাধ গতি এখন গোটা শহরেই।
কেন রমরমা জিগোলোরা?
অ্যামস্টারডামের ডা ভালেনের কথা শুনেছে অনেকেই। সারা বিশ্বের কামুক পর্যটকদের আলটিমেট ডেস্টিনেশন জায়গাটি। তবে এই ক্ষেত্রে একটি বিষয় বলে রাখা ভালো, ডা ভালেনে নারী যৌনকর্মীদের থেকে পুরুষ যৌনকর্মীদের চাহিদা বেশি। শুধু তাই নয় পুরুষ যৌনকর্মীদের বাজারদরও সেখানে নারীদের তুলনায় অনেক বেশি। ভারতের রাজধানী দিলি­ শহরে এখন পুরুষ যৌনকর্মীদের রমরমা পসার। ইন্টারনেট তো রয়েছেই, জিগোলোদের হাতের নাগালে পেতে পারেন এমন অনেক জায়গা রয়েছে নয়াদিলি­তে। জামিয়া নগর, নিউ ফ্রেন্ডস কলোনিতে গেলেই দেখা মিলবে তাঁদের। তবে
কিভাবে চেনা যায় তাদের?
হাতে লাল রুমালই এক্ষেত্রে গ্রাহকদের কাছে সিগন্যাল। এক একজন জিগোলোর একরাতের পারিশ্রমিক ২০০০ থেকে ২০,০০০ টাকার মধ্যে। এবার প্রশ্ন হচ্ছে গ্রাহকদের অ্যাপ্রোচের ধরন ঠিক কেমন হবে? সেইক্ষেত্রেও কিছু কোড ওয়ার্ড চলতি রয়েছে। যে সমস্ত কোড ওয়ার্ড গ্রাহক এবং জিগোলোর মধ্যে প্রাথমিক কথপোকথনের মাধ্যম। এই সমস্ত কোডওয়ার্ডের মাধ্যমেই নানাধরণের যৌনতার সার্ভিসের কথা বলা হয়। সার্ভিস চার্টও বেশ দীর্ঘ। নানান ধরণের এরোটিস সার্ভিস তো রয়েছেই। সার্ভিস চার্জের রকমফেরে বৈচিত্রও অনেক।
মানব সভ্যতার আদিমতম এই পেশার সঙ্গে যে সমস্ত পুরুষ যুক্ত, তাঁরাই বলছেন, বয়ফ্রেন্ড সার্ভিস এখন সব থেকে বেশি লোভনীয় মহিলাদের কাছে। একাকীত্বে ভুগছেন এমন মহিলা এবং তরুণীরাই বয়ফ্রেন্ড সার্ভিস নিয়ে থাকেন। যার জন্য মোটা টাকা। খরচ করতেও পিছপা হন না তারা। শুধুমাত্র পারিশ্রমিক নয়, জিগোলোদের নিয়ে বিলাসবহুল হোটেল, রিসর্টেও সময় কাটান মহিলারা। এক জিগোলোর কথায়, ‘ইঞ্জিনয়ারিংয়ের ছাত্র আমি, পড়াশোনার। খরচ চালাতে পারছিলাম না, এক বন্ধু মারফত প্রথম এক গ্রাহকের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল। তার কাছ থেকেই পরে অন্যান্য মহিলার যোগাযোগ পাই, এখন প্রত্যেকদিনই কল পায়, বেশিরভাগটাই হোটেল সার্ভিস। শুরুর দিকে বিষয়টি মন থেকে মেনে নিতে না পারলেও, টাকাটা আমার প্রয়োজন।’
টাকার জন্যই অনেক যুবক এই পেশায় আসছেন ঠিকই। কিন্তু অনেকেই আবার সখের জিগোলো। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ফ্রি সার্ভিসও দিয়ে থাকেন। যে সমস্ত মহিলা জিগোলোদের সার্ভিস নিয়ে থাকেন, তারা কারা? আপনি যদি মনে করে থাকেন, কর্পোরেট দুনিয়ার হাই স্টেটাসের ছাপ রয়েছে এমন মহিলারা। তাহলে একেবারেই ভুল, বেশিরভাগ জিগোলোই জানাচ্ছেন, কলেজ ছাত্র এবং মধ্যবিত্ত ঘরের মহিলারাই তাঁদের নিয়মিত কাস্টমার। কিন্তু কেন? জিগোলারা বলছেন, সেক্স অ্যাডভেঞ্চার যেমন এর একটি কারণ তেমনই একাকিত্ব দূর করতেই তাঁদের ডাক বেশি পড়ে।
এমন বহু মহিলা আছেন যাঁরা জিগোলোদের বেড রুমে ডেকে সারা রাত শুধুই গল্প করে কাটিয়ে দেন। আবার এমন অনেক মহিলা আছেন যাদের বিকৃতির ব্যাপার-স্যাপার অনেক সময় অত্যাচারের পর্যায়ে চলে যায়। সিগারেটের ছ্যাঁকা থেকে শুরু করে যৌনক্রিয়ার সময় নানারকম অস্বাভাবিক পজিশন প্রায়ই কিছুই বাদ যায় না। তাই জিগোলো হওয়া মানেই যাঁরা মনে করেন সেক্স উইথ ইনকাম। ব্যাপারটা কিন্তু মোটেই অত সহজ নয়।
অন্যদিকে আরও একটি  প্রশ্ন উঠছে, পুলিশের নজর এড়িয়ে শহরের বুকে এই সব চলছে কীভাবে? জিগোলোরা জানাচ্ছেন, লাল রুমালের সিগন্যাল, কোড ওয়ার্ড এই সব জানা পুলিসের। কিন্তু পুরুষ যৌনকর্মী নিয়ে তেমন কোনও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পুলিস তেমন পায়নি। তা ছাড়াাও পুরুষ যৌনকর্মী বিষয়টিও আজও ভারত বা বাংলাদেশে অনেকটাই আরব্য রজনীর মতো। তাই বিষয়টি নিয়ে পুলিস খুব একটা উৎসাহী হয় না।
তথ্যসূত্র: অনলাইন










  একনজরে চলতি সংখ্যা

  সম্পাদকীয় : স্বাগত ২০১৭! প্রশস্ত হোক সমৃদ্ধি অর্জনের পথ
  গল্প : অন্তরালবাসিনী
  অনুগল্প : দোলা
  ফিচার : জিগোলো! রমরমা এক ব্যবসা
  প্রবাস : মৃত্যুর অধিকার
  বিশ্লেষণ : রোহিঙ্গা নিধনে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ ও ভূরাজনীতির সঙ্কটে বাংলাদেশ!
  চমক! : পলিটিশিয়ান অব দ্যা ইয়ার শেখ হাসিনা
  মতামত : রাজধানীর যানজট সমাধান অসম্ভব নয়
  আন্তর্জাতিক : ট্রাম্পের পরমাণু ঘোষণায় ভয়ংকর পথে বিশ্ব!!
  প্রচ্ছদ প্রতিবেদন : ইমেজ সংকটে বিমান!
  অনুসন্ধান : ইতিহাসের কালো অধ্যায়, মানুষ হয়েছে গিনিপিগ!
  রাজনীতি : রাষ্ট্রপতির সাথে সংলাপ, বাড়ছে অচলাবস্থা অবসানের প্রত্যাশা
  মুক্তিযুদ্ধ : অপারেশন নাট ক্র্যাক
  বিশেষ প্রতিবেদন : জামায়াতের অন্তর্দ্ব›দ্ব চরমে...
  প্রতিবেদন : নাসিকে পরাজয়ে বিএনপিতে অস্বস্তি
  স্বাস্থ্য : অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও স্বাস্থ্যহানির ভয়ঙ্কর ঝুঁকি
  ফিচার : মাঞ্জারুল ইসলাম জিপিএ ৫ পেয়েছে
 
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবদুল্লাহ আল-হারুন   |  সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ জিয়াউল হক   |  প্রধান সম্পাদক : আসিফ হাসান

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: দেওয়ান কমপ্লেক্স, ৬০/ই/১ (৭ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

ফোন: +৮৮-০২-৯৫৬৬৯৮৭, ০১৯১৪ ৮৭৫৬৪০  |  ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৫৬৬৩৯৮

ইমেইল: editor@weeklymanchitra.com, manchitra.bd@gmail.com
©  |  Amader Manchitra

Developed by   |  AminMehedi@gmail.com