আমাদের মানচিত্র  |  বর্ষ: , সংখ্যা:     ঢাকা, বাংলাদেশ  |  আজ শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭  |  




চলতি সংখ্যার প্রচ্ছদ



বর্ষ: ৪, সংখ্যা: ৪৪
রবিবার, ১ জানুয়ারী ২০১৭










free counters






মতামত পড়া হয়েছে ২৬৭ বার

রাজধানীর যানজট সমাধান অসম্ভব নয়

মুসাহিদ উদ্দিন আহমদ


সম্প্রতি রাজধানীর যানজট সমস্যা সমাধানে ৩৬ কোটি টাকারও বেশি অর্থ ব্যয়ে জাইকার অর্থায়নে এবং ডিটিসিএ-ও প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর আওতায় ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ও পুলিশ আধা স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল সিস্টেম চালু করতে যাচ্ছে। এ পদ্ধতিতে ট্রাফিক পুলিশ রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে রাস্তার সিগন্যাল লাইট নিয়ন্ত্রণ করবে। পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যালিং ব্যবস্থাও চালু রাখার সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশিত হয়েছে সংবাদপত্রে। গত বছর মে মাসে রাজধানীর কাকলী থেকে শাহবাগ পর্যন্ত ১১টি স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হয়েছিল। রাজধানীর বাদবাকি অংশে ট্রাফিক পুলিশের লাঠি, বাঁশির সাহায্যেই চলেছে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ। কাজেই একই শহরে দু’রকমের ব্যবস্থা চালুতে সমন্বয়হীনতার কারণে রাজধানীর যানজট নিরসনে তেমন সুফল বয়ে আনেনি। একই সঙ্গে রাজধানীর ব্যস্ত সড়কগুলোর সর্বত্র স্বয়ংক্রিয় চালু করতে পারলে হয়তো ভালো ফল আশা করা যেত। আগামীতে যে ব্যবস্থা চালু হতে যাচ্ছে তাতে ট্রাফিক পুলিশ শুধু তাদের হাত ও লাঠির পরিবর্তে ব্যবহার করবে রিমোট কন্ট্রোল। স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যালিংয়ের পাশাপাশি রিমোট কন্ট্রোল দ্বারা সিগন্যাল লাইট নিয়ন্ত্রণ কীভাবে সমন্বিতভাবে অবাধ যান চলাচল নিশ্চিত করে যানজট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এ নিয়ে সন্দিহান হওয়া স্বাভাবিক।
অপরিকল্পিত নগরায়ণ, অপর্যাপ্ত ও অনুন্নত সড়ক ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রণহীন যানবাহন চলাচল ও যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং, ওভারব্রিজ ও আন্ডারপাসের অপ্রতুলতা, অবৈধ ফুটপাত দখল প্রধানত যানজটের জন্য দায়ী। প্রায় দুই কোটি জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন মেটাতে রাজধানীতে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠছে বাড়িঘর, হাট-বাজার। সংকীর্ণ রাস্তাঘাটে ছুটে চলছে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি যানবাহন। একই সড়কে ধীরগতিসম্পন্ন রিকশা, ভ্যান ও দ্রুতগতিসম্পন্ন  গাড়ি, বাস-ট্রাকের মতো যানবাহন চলাচল করায় সঠিক গতিতে চলাচল বিঘœ ঘটায় দেখা দিচ্ছে যানজট।  ত্রুটিপূর্ণ এবং অপর্যাপ্ত ট্রাফিক সাইন ও সিগন্যালও রাজধানীর যানজটের আরেকটি কারণ। তাছাড়া যানবাহন চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে না চলার প্রবণতা তো রয়েছেই।
অনেক টাকাকড়ি খরচ করে রাজধানীতে একাধিক ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হলো। রাস্তা পারাপারের জন্য নির্মিত হলো অনেক ওভারব্রিজ। কিন্তু ফুটপাত, ওভারব্রিজের নিচে, ফুটওভার ব্রিজের উপরটা দখল করে রেখেছে অবৈধ দোকানপাট। আন্ডারপাসে কখনো মাদকসেবীদের আড্ডা আর নোংরা পরিবেশ। খোদ সড়কের অধিকাংশ স্থানজুড়ে বসে দোকানপাট, বেচাকেনার পসরা। কখনো দুরন্ত মোটরসাইকেল চলছে ফুটপাত দিয়ে। ফুটওভার ব্রিজ রেখে যত্রতত্র রাস্তা পার হচ্ছে মানুষ। রাস্তাজুড়ে বাস-ট্রাক স্ট্যান্ড। এসবই রাজধানীর যানজটে রেখে চলেছে উল্লেখযোগ্য  ভূমিকা। অসচেতন মানুষের সড়ক ব্যবহারে অনিয়মের কারণেও সৃষ্ট যানজটে রুদ্ধ তাদের জীবন-জীবিকার সকল আয়োজন। ফলে জনমানুষের ভোগান্তি  ছাড়াও প্রতিদিন অগণিত মানুষের ৮২ লাখ শ্রমঘণ্টা নষ্ট হয়ে যায়। দেশ হয় ভয়াবহ অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন।
ডিডিসি’র সূত্রমতে, ঢাকার যানবাহন চলাচলের জন্য উপযুক্ত রাস্তা রয়েছে বর্তমানে ২২৫০ কিলোমিটার। এরমধ্যে ১ লেনের রাস্তা ৩৮৬ কিলোমিটার, ২ লেনের ১৪০৮ কিলোমিটার, ৪ লেনের রাস্তা ৪৩৪ কিলোমিটার। এসব রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন  চলাচলকারী যন্ত্রচালিত যানবাহনের সংখ্যা ৫ লাখ ২৭ হাজার। বিগত ছয় বছরে যানবাহনের সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার। বিআরটিএ সূত্রমতে, রুট পারমিট হিসাবে ঢাকার বাস-মিনিবাসের সংখ্যা ৫ হাজার ১০৩টি। বাস ও জনসংখ্যার হিসাবে প্রতি ৩ হাজার মানুষের জন্য রয়েছে মাত্র ২টি বাস। প্রকৃতপক্ষে একটি বাস প্রতিদিন ৪৫০ জন যাত্রী বহন করে। এছাড়া অত্যধিক যানবাহনের কারণে ব্যস্ত সময়ে ঘণ্টায় গড়ে ১৪ কিলোমিটার এবং স্বাভাবিক সময়ে ঘণ্টায় মাত্র ১৮ কিলোমিটার গতিতে যানবাহন চলাচল করে। ইতিপূর্বে রাজধানীর যানজট সমস্যা সমাধানে অনেক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বারবার রাস্তা ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদ অভিযানের উদ্যোগ তেমন সফল  হয়নি। যানজট ঠেকাতে রাজধানী ঢাকার চারটি ট্রাফিক ডিভিশনে কাজ করার জন্য এক সময় তিন হাজারের বেশি ফোর্স মোতায়েন করা  হয়েছে। দুই সহস্রাধিক ট্রাফিক কর্মকর্তার সঙ্গে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আনসার ও কমিউনিটি পুলিশ নিরলস প্রচেষ্টায় যানজট নিরসনে তেমন সুফল বয়ে আনেনি। মহানগরীর ১৩টি পয়েন্টে চালু করা হয় ফোর লেন পদ্ধতি। ট্রাফিক পুলিশের কর্মতৎপরতা বৃদ্ধির পদক্ষেপও রাজধানীর যানজট কমাতে খুব একটা ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়নি। পরবর্তীতে স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত ও ব্যাংকের সময়সূচির পরিবর্তন করেও যানজট সমস্যা সমাধানের পথ খোঁজা হয়েছে। রমজানের শুরুতে দেশের সকল স্কুল-কলেজে দীর্ঘমেয়াদি ছুটি ঘোষণার পরও তীব্র যানজটে আটকা পড়ে  রাজধানীবাসী।  রাজধানীকে ৭টি অঞ্চলে ভাগ করে মার্কেট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সাপ্তাহিক ছুটি নির্ধারণ করেও তেমন সুফল পাওয়া যায়নি।
সুষ্ঠুভাবে যানচলাচল নিশ্চিত করতে একটি নগরীর মোট আয়তনের ২০ শতাংশ রাস্তা থাকা প্রয়োজন। অথচ ঢাকা মেগাসিটিতে সড়কের পরিমাণ রয়েছে ৭-৮ শতাংশের কাছাকাছি । রাস্তার পরিমাণ বাড়াতে পারলে তা হতে পারতো যানজট সমস্যা সমাধানের অন্যতম উত্তম পদক্ষেপ। ঢাকার রাজপথে মোট জনসংখ্যার মাত্র শতকরা ২ ভাগ প্রাইভেটকার ব্যবহার করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। সাধারণ মানুষের ভরসা একমাত্র পাবলিক ট্রান্সপোর্ট। একটি প্রাইভেটকার রাস্তায় যে স্থান দখল করে এক দুজন মানুষ চলাচল করে এর মাত্র দ্বিগুণ স্থান দখল করা একটি বাসে ৮০-৫০ জন মানুষ চলতে পারে। দ্বিতল বাস হলে এ সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হবে।  ঢাকার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, সাভার এসব স্থানের সঙ্গে শাটল ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে ঢাকায় বসবাসরত জনসংখ্যা  হ্রাস পাবে এবং তা রাজধানীর যানজট কমাতে সহায়ক হবে। ভবিষ্যতে রাজধানীতে মিনি, মেক্সির বদলে বেশি যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পাবলিক বাস চলাচলের ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ছাড়া ফুটপাত, অবৈধ দখল ভেঙে সড়কের পরিমাণ বাড়াতে হবে। রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চলাচলের প্রবাহের ওপর নির্ভর করে একক সড়কে একক সময় যানবাহন চলাচল ভিন্ন ভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রণ না করে যানজট কমানো যাবে না। বিভিন্ন ধরনের গতিসম্পন্ন যানবাহনের জন্য আলাদা লেন ব্যবহারের রীতি চালু করতে হবে। ধীরগতিসম্পন্ন ও দ্রুতগতিসম্পন্ন যান একই লেনে চলাচল করলে কখনই যানজট সমস্যার সমাধান হবে না। এ জন্য রাজধানীর ব্যস্ততম সড়কে রিকশা চলাচলের ব্যাপারেও আগামীতে সুচিন্তিত পদক্ষেপ নিতে হবে। কেননা, আধুনিক নগর ব্যবস্থায় মানুষের পায়ে টানা রিকশার মতো ধীরগতিসম্পন্ন যান চলাচলের নজির নেই। পাশাপাশি রাজধানীর সকল অবৈধ স্থাপনা  উচ্ছেদ, রাস্তা ও ফুটপাত দখল বন্ধ করতে হবে। যত্রতত্র গাড়ি ও বাস পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা।
ঢাকা মহানগরীতে পর্যাপ্তসংখ্যক আন্ডারপাস, ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করে তা জনগণকে ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। সড়ক মহাসড়কে গাড়ি চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলার ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিতে হবে ট্রাফিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের। বৃদ্ধি করতে হবে জনবল কাঠামো। ট্রাফিক আইন-শৃঙ্খলা মেনে চলতে যানবাহন চালক ও জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে ট্রাফিক নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। জনগণ সঠিকভাবে সড়ক ব্যবহারের অভ্যেস গড়ে তুলতে পারলে তা  যানজট  সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে সাহায্য করবে। রাস্তায় চলাচলকারী প্রাইভেট কারের সংখ্যা কমিয়ে আনতে নাইজেরিয়ার পূর্বের রাজধানী  ল্যাগোসের মতো ব্যস্ততম শহরে একদিন জোড় সংখ্যা এবং পরের দিন বিজোড় সংখ্যা রেজিস্ট্রেশন নম্বরের ব্যক্তিগত গাড়ি পর্যায়ক্রমে রাস্তায় চলাচলের ব্যবস্থা প্রবর্তন দেখেছি। অনেক দেশই তো রাজধানী শহরের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সদর দপ্তরকে সরিয়ে দ্বিতীয় রাজধানী শহর গড়ে তুলে যানজট সমস্যার সমাধান করেছে। রাষ্ট্রের কাছ থেকে জনগণের সেবা গ্রহণের পথকে সুগম করে তুলেছে। রাজধানী ঢাকার ক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ এখনই সম্ভব না হলেও জরুরিভিত্তিতে প্রাইভেট গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে (বিশেষজ্ঞদের মতে এক-চতুর্থাংশ) পাবলিক যানবাহনের সংখ্যা উল্লেখজনকভাবে বাড়িয়ে এবং পাবলিক ট্রান্সপোর্টের জন্য আলাদা লেনের ব্যবস্থা করলে রাজধানীর যানজট সমস্যা অনেকাংশে কমে যাবে। মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা ট্রাকের ব্যবহারও বিশেষ ইতিবাচক ফল দেবে। স্বয়ংক্রিয় বা রিমোট কন্ট্রোল এ দুটির একটিকে সর্বত্র সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ করা গেলে যানজট হ্রাসে ইতিবাচক ফল পাওয়া যেতে পারে। এছাড়া সিগন্যাল লাইট দেখভালের দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের ওপর না দিয়ে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগকে দেয়া যুক্তিসঙ্গত। তাতে সমন্বয়হীনতার সম্ভাবনা দূর হবে। যানজটের মতো অনভিপ্রেত বিড়ম্বনার হাত থেকে রক্ষা পাবে জনগণ। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, অগ্রগতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে ।
৩৮/২ পশ্চিম মালিবাগ, ঢাকা










  একনজরে চলতি সংখ্যা

  সম্পাদকীয় : স্বাগত ২০১৭! প্রশস্ত হোক সমৃদ্ধি অর্জনের পথ
  গল্প : অন্তরালবাসিনী
  অনুগল্প : দোলা
  ফিচার : জিগোলো! রমরমা এক ব্যবসা
  প্রবাস : মৃত্যুর অধিকার
  বিশ্লেষণ : রোহিঙ্গা নিধনে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’ ও ভূরাজনীতির সঙ্কটে বাংলাদেশ!
  চমক! : পলিটিশিয়ান অব দ্যা ইয়ার শেখ হাসিনা
  মতামত : রাজধানীর যানজট সমাধান অসম্ভব নয়
  আন্তর্জাতিক : ট্রাম্পের পরমাণু ঘোষণায় ভয়ংকর পথে বিশ্ব!!
  প্রচ্ছদ প্রতিবেদন : ইমেজ সংকটে বিমান!
  অনুসন্ধান : ইতিহাসের কালো অধ্যায়, মানুষ হয়েছে গিনিপিগ!
  রাজনীতি : রাষ্ট্রপতির সাথে সংলাপ, বাড়ছে অচলাবস্থা অবসানের প্রত্যাশা
  মুক্তিযুদ্ধ : অপারেশন নাট ক্র্যাক
  বিশেষ প্রতিবেদন : জামায়াতের অন্তর্দ্ব›দ্ব চরমে...
  প্রতিবেদন : নাসিকে পরাজয়ে বিএনপিতে অস্বস্তি
  স্বাস্থ্য : অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও স্বাস্থ্যহানির ভয়ঙ্কর ঝুঁকি
  ফিচার : মাঞ্জারুল ইসলাম জিপিএ ৫ পেয়েছে
 
উপদেষ্টা সম্পাদক : আবদুল্লাহ আল-হারুন   |  সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ জিয়াউল হক   |  প্রধান সম্পাদক : আসিফ হাসান

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: দেওয়ান কমপ্লেক্স, ৬০/ই/১ (৭ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

ফোন: +৮৮-০২-৯৫৬৬৯৮৭, ০১৯১৪ ৮৭৫৬৪০  |  ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৯৫৬৬৩৯৮

ইমেইল: editor@weeklymanchitra.com, manchitra.bd@gmail.com
©  |  Amader Manchitra

Developed by   |  AminMehedi@gmail.com